সুন্দর সমাজ
নির্মাণ, দক্ষ
ও যোগ্য
নেতৃত্ব তৈরি
এবং র্সজনশীলতার
বিকাশে বিতর্ক
আমাদের সমাজ
বা সংস্কৃতিতে
একটি নতুন
সংযোজন হলেও
তার জনপ্রিয়তা
দিন দিন
বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কাঠামো বা
প্রেক্ষাপট ভিন্ন
হলেও বিতর্ক
সমাজের প্রতিটি
জায়গায়ই খোঁজে
পাওয়া যায়।
মত প্রকাশের
অনন্য এ
মাধ্যমকে অস্বীকার
করে বর্তমান
কোন সমাজ
বা রাষ্ট্র
চলতে পারে
না। বিতর্কের
নির্ধারিত কোন
সীমা পরিসীমা
নেই, তা
পরিবারিক জায়গা
থেকে শুরু
করে রাষ্ট্রীয়
অঙ্গন পর্যন্ত
বিস্তত।
বিতর্ক
কি?
বিতর্ক একটি
শিল্প যা
পারস্পরিক শ্রদ্ধার
ভিত্তিতে নিজের
মতামতকে তুলে
ধরতে শেখায়।
বিতর্কে একজন
বিতার্কিক তার
বক্তব্যগুলোকে চমৎকারভাবে
শ্রোতাদের সমনে
তোলে ধরে
এবং প্রতিপক্ষের
বক্তব্যের যৌক্তিক
সমালোচনা করার
সুযোগ পায়।
এভাবেই পারস্পরিক
বক্তব্য পাল্টা
বক্তব্যের মাধ্যমে
যথাযথ বিষয়টি
শ্রোতাদের সামনে
পরিস্কার হয়।
তবে বিতর্কের
মূল উদ্দেশ্য
সত্য উদঘাটন
নয় বরং
সত্যের কাছাকাছি
পৌঁছানো। বিতর্ক
দর্শকদেরকে সত্য
সন্ধানে সহায়তা
করে। আমরা
যে বিতর্ক
চর্চা করি
তা কতগুলো
নিয়মের অধীন।
বলা যায়
নিয়ম কানুন
ছাড়া বিতর্ক
চলে না। United states of America-i Maryland বিতর্ককে
এভাবে সংজ্ঞায়ন
করেছে “Basically,
a debate is an argument with rules”. অর্থাৎ
বিতর্ককে আমরা
বিশেষ তর্ক
বলতে পারি
যা কতগুলো
নিয়ম মেনে
করা হয়।
বিতর্কের
ইতিহাস :
বিতর্ক ঠিক
কবে বা
কখন শুরু
হয়েছিল তা
কোন সঠিক
ইতিহাস জানা
নেই কারণ
বিতর্ক যে
একটি শিল্প
তা মানুষ
উপলব্ধি করতে
পেরেছে বহু
পরে। মানুষ
তার সূচনা
লগ্ন থেকেই
কারণে অকারণে
বিতর্ক করে
আসছে যদিও
তার কোন
প্রাতিষ্ঠানিক কোন
ভিত্তি ছিল
না। ধারণা
করা হয়
খ্রিষ্টপূর্ব ৪৮৯
অব্দে প্রাচীন
গ্রিসের নগর
রাষ্ট্রগুলো থেকে
বিতর্কের প্রাতিষ্ঠানিকতা
শুরু হয়।
প্রায় ২০০০
বছর পূর্বে
নগর রাষ্ট্র
এথেন্সে রাষ্ট্রীয়
পরিকল্পনা ও
জাতীয় নীতি
নির্ধারণ বিষয়ে
জনগণের উন্মোক্ত
বিতর্কের মাধ্যমে
সিদ্ধান্ত নেওয়া
হত। যুক্তি
উপস্থাপনের মাধ্যমে
প্রতিপক্ষের সকল
যু্িক্তকে দুর্বল
করা ও
নিজের যুক্তিকে
আরও জোড়ালোভাবে
উপস্থাপনের ধারণাটি
সক্রেটিস থেকে
প্রথম আসে।
আর তিনিই
প্রথম বিতর্ককে
বা যুক্তিদেওয়াকে
বাদ দেওয়ার
পরিবর্তে জীবন
দেওয়াকেই শ্রেয়
মনে করেছিলেন।
বাংলাদেশে বিতর্কের
সূচনা খুব
বেশি পুরনো
নয়। স্বাধীনতা
পরবর্তী সময়ে
আশির দশকে
বিতর্কের ব্যাপক
প্রচলন শুরু
হয়। ১৯৮৯
সালের মে
মাসে কেন্দ্রীয়
বিতর্ক আন্দোলন
নামে বিতার্কিকদের
একটি সংগঠন
প্রথমবারের মতো
বিতর্কের আয়োজন
করে। ১৯৯১
সালে বাংলাদেশ
টেলিভিশন ‘যু্িক্ততর্ক’
শিরোনামে সংসদীয়
ধারার অনুষ্ঠান
চালু করে।
বর্তমানে সরকারি
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়
বিতর্ককে এগিয়ে
নেওয়ার কাজ
জোরালো হচ্ছে।
বিতর্কের
প্রযোজনীয়তা:
বিতর্কের
প্রয়োজনীয়তা বলে
শেষ করা
যাবে না।
বিতর্ক এমন
একটি মাধ্যম
যার মাধ্যমে
অনেক অবেক্ত
কথা বলা
যায়। সমাজ,
রাষ্ট্র বা
রাজনীতি, অর্থনীতি,
সমাজনীতি এমনকি
ধর্মীয় অনেক
বিষয়কে যা
সচরাচর বলা
যায় না
বিতর্কের মাধ্যমে
সেসকল অসঙ্গতিগুলো
তুলে আনা
যায় অবলীলায়।
১. নিজেকে
উপস্থাপন করতে
কে-ই
বা না
চায়। বিতর্ক
নিজেকে উপস্থাপনের
অনন্য এক
মাধ্যম। বিতর্কই
পারে পৃথিবীর
এক স্থানের
মানুষকে অন্য
স্থান পর্যন্ত
পরিচয় করিয়ে
দিতে। আপাতদৃষ্টিতে
নিজেকে উপস্থাপনের
এর চেয়ে
ভাল মাধ্যম
আর নেই।
২. জ্ঞানগত
পরিধি বাড়ানের
জন্য বিতর্ক
প্রয়োজন। সীমাবদ্ধ
জ্ঞান নিয়ে
বিতর্ক করা
যায় না।
বিতর্ক যেমন
সমসাময়িক বিষয়কে
নিয়ে হয়
তেমনি অতীতের
বিষয় নিয়েও
বিতর্ক হয়
আবার কখনও
কথনও ভবিষ্যতের
বিষয় নিয়েও
বিতর্ক হয়ে
থাকে। সুতরাং
বিতার্কিককে বিতর্কের
স্বার্থেই অতীত,বর্তমান
ও ভবিষ্যতের
ব্যাপারে সচেতন
থাকতে হয়।
৩. কর্মক্ষেত্রে
সফলতার জন্য
ভাল বিতার্কিক
হওয়া দরকার।
এমন অনেক
কর্মক্ষেত্র রয়েছে
যেখানে বিতর্ক
ছাড়া একটুও
চলা যায়
না। সুতরাং
বিতর্কই পারে
আপনাকে সেক্ষেত্রে
সফলতার দাঁরপ্রান্তে
নিয়ে যেতে।
৪. নেতৃত্বের
বিকাশে বিতর্কের
প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।
নেতার গুরুত্বপূর্ণ
গুণ হল
বক্তব্যের যোগ্যতা।
প্রত্যেক ভাল
বিতার্কিকই একজন
ভাল বক্তা
কিন্তু সকল
ভাল বক্তাই
ভাল বিতার্কিক
নয়। সুতরাং
নিজের মতামতকে
অন্যের সামনে
যুক্তিসঙ্গত উপায়ে
তুলে ধরে
সমসাময়িক পরিস্থিতিতে
নেতৃত্ব প্রদানে
বিতর্কের কোন
বিকল্প নেই।
৫. দ্বীনি
দায়িত্ব পালনে
বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা
আল্লাহ রাব্বুল
আলামিন কর্তৃক
স্বীকৃত। মহাগ্রন্থ
কুরআনে বলা
হয়েছে : “তোমরা
মানুষকে আল্লাহর
পথে আহবান
কর আর
বিতর্ক কর
সর্বোত্তম পন্থায়”।
৬. জীবনের
কোন ক্ষেত্রেই
বিতর্ককে অস্বীকার
করার সুযোগ
নেই। প্রায়
প্রতিটি ক্ষেত্রেই
বিতর্ক রয়েছে।
সুতরাং যাকে
অস্বীকার করা
যায় না
তাকে আয়ত্ব
করে নেয়াই
কি বুদ্ধিমানের
কাজ নয়।
বিতর্কের
কতিপয় ধরণ:
১. সনাতনী
বিতর্ক
২. সংসদীয়
বিতর্ক
৩. আঞ্চলিক
বিতর্ক
৪. বারোয়ারি
বিতর্ক
৫. রম্য
বিতর্ক
৬. জাতিসংঘ
মডেল বিতর্ক
সনাতনী
বিতর্ক:
সনাতনী বিতর্ক
বিতর্কধারার অতি
প্রচলিত, পরিচিত
ও আদি
পদ্ধতি। এজাতীয়
বিতর্কে দুটি
দল থাকে
একটিকে বলা
হয় পক্ষ
দল অপরটিকে
বলা হয়
বিপক্ষ দল।
প্রত্যেক দলে
তিনজন করে
মোট ছয়জন
অংশগ্রহণ করেন।
যিনি বিতর্ক
পরিচালনা করেন
তাকে বলা
হয় মডারেটর/সভাপতি।
সনাতনী বিতর্কে
দুটি পর্যায়
থাকে। গঠনমূলক
পর্ব ও
যুক্তিখ-ণ
পর্ব। গঠনমূলক
পর্বে প্রত্যেক
বক্তা তার
বক্তব্য প্রদানের
জন্য পাঁচ
মিনিট সময়
পান। এক্ষেত্রে
চার মিনিটে
সতর্ক সংকেত
ও পাঁচ
মিনিটে চূড়ান্ত
সংকেত দেওয়া
হয়। যুক্তিখ-ণ
পর্বে উভয়দলের
দলনেতা বিপরীতপক্ষের
যুক্তিখ-ন
করার জন্য
অতিরিক্ত তিন
মিনিট সময়
পান। এক্ষেত্রে
দুইমিনিটে সতর্ক
সংকেত ও
তিনমিনিটে চূড়ান্ত
সংকেত বাজানো
হয়। সতাতনী
বিতর্কে কোন
পয়েন্ট উত্থাপনের
সুযোগ নেই।
সনাতনী বিতর্কে
ইংরেজি বাংলা
সংমিশ্রণ বর্জনীয়।
সংসদীয়
বিতর্ক:
বিতর্কের
বিভিন্ন মডেলের
মধ্যে সংসদীয়
বিতর্ক খুব
দ্রুত জনপ্রিয়তা
অর্জন করেছে।
নব্বাইয়ের দশকে
সংবিধান সংশোধনীকে
কেন্দ্র করে
রাজনীতির উপচেপড়া
প্রভাবে সংসদীয়
বিতর্ক মূলধারার
বিতর্ক মডেলে
পরিণত হয়।
সংসদীয় বিতর্কের
মূল ধারাটি
এসেছে ব্রিটিশ
পার্লামেন্টের ‘হাউজ
অব কমন্স’
বা নিম্নকক্ষের
অধিবেশনে আয়োজিত
বিষয়ভিত্তিক তর্কযুদ্ধকে
কেন্দ্র করে।
সংসদীয় রীতির
বিতর্কে বাংলাদেশ
ও আন্তর্জাতিক
অঙ্গনে তেমন
কোন পার্থক্য
লক্ষ করা
যায় না।
এ বিতর্কে
দুটি দল
থাকে। একটি
সরকারি দল
ও অপরটি
বিরোধী দল।
সরকারি দলের
প্রথম বক্তা
প্রধানমন্ত্রী যিনি
সংসদে প্রস্তাবটি
উত্থাপন করে
থাকেন। সরকারি
দলের দ্বিতীয়
বক্তাকে মন্ত্রী
হিসেবে অভিহিত
হবেন। এবং
তৃতীয় বক্তা
সংসদ সদস্য
হিসেবে গণ্য
হবে। অপরদিকে
বিরোধীদলের প্রথম
বক্তা বিরোধীদলীয়
নেতা, দ্বিতীয়
বক্তা বিরোধীদলীয়
উপনেতা ও
তৃতীয় বক্তা
বিরোধীদলীয় সংসদ
সদস্য হিসেবে
পরিচিত হবে।
যিনি বিতর্ক
পরিচালনা করবেন
তিনি স্পিকার
হিসেবে অভিহিত
হবেন।
সংসদীয় বিতর্কে
কোন বক্তার
বক্তব্যের মাঝখানে
বাধা দেওয়ার
সুযোগ রয়েছে।
আর এ
কাজটি পয়েন্ট
উত্থাপনের মাধ্যমে
করতে হয়।
তিনটি প্রেক্ষাপটে
পয়েন্ট উত্থাপন
করা যায়।
1.
Point of Order: কোন
বিতার্কিক প্রধানমন্ত্রী
নির্ধারিত সংজ্ঞায়ন
থেকে বের
হয়ে অন্য
সংজ্ঞা দাড়
করালে, নির্ধারত
সময়ের পরও
বক্তব্য অব্যাহত
অথবা যুক্তিখ-ণ
পর্বে নতুন
যুক্তি উপস্থাাপন
করলে এ
পয়েন্ট স্পিকার
বরাবর উত্থাপন
করা যাবে।
উত্থাপিত বিষয়ের
যথাযথ যৌক্তিকতা
থাকলে স্পিকার
পয়েন্টটি গ্রহণ
করবেন।
2.
Point of Privilege: কোন
বিতার্কিকের বক্তব্যকে
বিকৃতভাবে উপস্থাপন
করলে, কোন
সদস্যের প্রতি
অবমাননাকর বক্তব্য
প্রদান করলে,
ব্যক্তিগত আক্রমণাত্নক
কোন বক্তব্য
এমনকি অসংসদীয়
ভাষা ব্যবহার
করলে এ
পয়েন্ট উত্থাপন
করার সুযোগ
রয়েছে। এ
পয়েন্টও স্পিকার
বরাবর উত্থাপন
করা হয়।
উত্থাপিত বিষয়ের
যৌক্তিকতা মিললে
স্পিকার পয়েন্টটি
গ্রহণ করতে
পারেন।
3.
Point of Information: একজন
বক্তা বক্তব্য
রাখার সময়
প্রতিপক্ষের বক্তা
এ পয়েন্টটি
উত্থাপন করতে
পারবেন। এ
পয়েন্টের মূল
বিষয় হল
বক্তার নির্ধারিত
আলোচনার তথ্যসূত্র
জানতে চাওয়া।
উদাহরণ জানতে
চাওয়া, অথবা
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
জানতে চাওয়া।
এরকম পয়েন্ট
বক্তব্যপ্রদানকারী বক্তা
বরাবর করা
হয়। তবে
যিনি বক্তব্য
দিচ্ছেন তার
সুযোগ রয়েছে
এরকম পয়েন্টকে
এড়িয়ে যাবার।
সংসদীয় বিতর্কেও
দুটি পর্যায়
থাকে। গঠনমূলক
পর্ব ও
যুক্তিখ-ন
পর্ব। এ
পদ্ধতিতে বিতর্কে
সংসদ নেতা
বা মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের
মাধ্যমে সংসদ
শুরু হয়
আবার তার
বক্তব্যের মাধ্যমেই
সংসদ শেষ
হয়। সংসদীয়
ধারার বিতর্ক
প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত
বক্তব্যকে কেন্দ্র
করে আবর্তিত
হয়।
আঞ্চলিক
বিতর্ক:
আঞ্চলিক
ভাষায় যে
বিতর্ক তাকেই
আঞ্চলিক বিতর্ক
হিসেবে অভিহিত
করা হয়।
প্রত্যেক অঞ্চলের
ইতিহাস ঐতিহ্য,
আচার অনুষ্ঠান,
সংস্কৃতি প্রভৃতি
তোলে ধরার
জন্য এ
জাতীয় বিতর্কের
আয়োজন হয়ে
থাকে। হাস্যরসে
ভরপুর এ
বিতর্কে সাত
আটজন বিতার্কি
বা ক্ষেত্রবিশেষে
কম বেশি
হতে পারে।
এজাতীয় বিতর্ক
সাধারণত বারয়ারি
বিতর্কের মতো।
এ জাতীয়
বিতর্কে প্রতিনিধিত্বকারী
স্ব স্ব
অঞ্চলের ভাষার
সাবলিল উপস্থাপন
জরুরী।
বারোয়ারি
বিতর্ক:
বিতর্কের
পদ্ধতিগিুলোরে মধ্যে
বারোয়ারি বিতর্ক
ভিন্ন রকম
বিতর্ক। এ
পদ্ধতি হচ্ছে
একটি উন্মোক্ত
ময়দান যেখানে
বিতার্র্কিকের সুযোগ
রয়েছে নিজের
পক্ষে বলার
আবার নিজের
বিপক্ষে বলার
অথবা পক্ষে
বিপক্ষে না
বলে বিষয়টিকে
ভিন্ন একটি
রূপ দেওয়ার।
বারোয়ারি বিতর্কের
বিষয়গুলোই এভাবে
ঠিক করা
হয়ে থাকে
যে একজন
বিতার্কিক বিষয়টিকে
যেকোন ভাবে
ব্যাখ্যা করার
সুযোগ পায়।
অন্যান্য বিতর্কের
সাথে তার
পার্থক্য হল
অন্যান্য বিতর্ক
হয় দলীয়ভাবে
আর এ
বিতর্ক হয়
ব্যক্তিগতাবে। অন্যান্য
বিতর্কে যেসকল
পদ্ধতি বা
নিয়ম কানুন
অনুসরণ করা
হয় এখানে
তা অনুসরণ
করা হয়
না। এ
বিতর্কে সবাই
সবার প্রতিপক্ষ
হয়ে থাকে।
বারোয়ারি বিতর্কের
টপিক তাৎক্ষণিক
দেওয়া হয়
বলে এটাকে
উপস্থিত বক্তৃতার
সাথে তোলনা
করা যায়।
আবার চঁনষরপ
ঝঢ়বধশরহমও বলা
যেতে পারে।
বারোয়ারি বিতর্কের
বিষয়গুলো এরকম
হতে পারে
যে-
তোরা যে
যা বলিস
ভাই.............
আমি আমার
আমিকে চিরদিন......
দেখা হয়
নাই চক্ষু
মেলিয়া.........
স্বাধীনতা
এনেছি স্বাধীনতা.............
রম্য
বিতর্ক:
মানুষ হাসানো
কি যে
কঠিন তাও
যদি হয়
আবার বিতকর্কের
মাধ্যমে। কিন্তু
হ্যাঁ বিতর্কের
মাধ্যমে মানুষকে
হাসানো অসম্ভবের
কিছু নয়
সম্ভব। রম্য
বিতর্ক সেরকমই
একটি কাঠামো।
তবে এ
বিতর্ক কোন
প্রতিযোগিতামূলক বিতর্ক
নয় বরং
প্রদর্শনীমূলক বিতর্ক।
জনপ্রিয়তার শীর্ষে
থাকা এ
বিতর্ক দর্শকদেরকে
ব্যাপক আনন্দ
দান করে
থাকে।
জাতিসংঘ
মডেল বিতর্ক:
শিরোনাম
দেখেই বুঝা
যাচ্ছে বিতর্কের
কেমন হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ
পরিষদের আদলে
এ বিতর্ক
অনুষ্ঠিত হয়।
একজন সভাপতি
জাতিসংঘ সাধারণ
পরিষদের সভাপতি
হিসেবে এ
বিতর্ক পরিচালনা
করবেন। কোন
একটি প্রস্তাবের
উপর অংশগ্রহণকারী
সাধারণ পরিষদের
সদস্য রাষ্ট্রসমূহ
নিজ নিজ
দেশের মতামত,
অবস্থান, জোট
কিংবা আঞ্চলিকতার
স্বার্থে বক্তব্য
উপস্থাপন করে।
এক্ষেত্রে ছয়
থেকে আটটি
রাষ্ট্র বক্তব্য
উপস্থাপন করবে
এবং বাকি
রাষ্ট্রগুলো উপস্থিত
থাকবে। জাতিসংঘ
মডেল বিতর্কে
সাধারণত মানোত্তীর্ণ
বিতার্কিকদের ছাড়া
ফলপ্রসু হয়ে
ওঠে না।
কারণ এক্ষেত্রে
সংশ্লিষ্ট দেশের
রাজনৈতিক, সামাজিক,
অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক
ও অন্যান্য
বিষয় সম্পর্কে
বিস্তারিত জানার
দরকার হয়।
এছাড়াও বাংলাদেশে
আরও অনেক
বিতর্ক চর্চা
হয়ে থাকে।
যেমন-নির্বাচনী
বিতর্ক, প্লানচেট
বিতর্ক, জুটি
বিতর্ক, শ্রেণী
বিতর্ক, শিশু
বিতর্ক প্রভৃতি।
বিতর্ক এবং
বিতার্কিকদের জন্য
শুভ কামনা
রইল।
সভাপতি (২০১৪-২০১৫)
বিতর্কধারা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়